

মূল প্রবন্ধে, কবিগুরুর গ্রন্থ ও গ্রন্থাগার ভাবনা সম্পর্কে বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, লাইব্রেরির প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেক লাইব্রেরির অন্তরঙ্গ সদস্য রূপে একটি বিশেষ পাঠকমন্ডলী থাকা চাই।’ তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ শুধুমাত্র স্বপ্ন দেখতেন না। তাঁর গ্রন্থাগার তথা শিক্ষা বিষয়ক ধারণাগুলিকে বাস্তব আকার দেবার চেষ্টা করেছেন শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই ।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুঃ বিল্লাল হোসেন খান তাঁর আলোচনায় বলেন, সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে রবীন্দ্রনাথের বিচরণ নেই। তিনি বাংলা সাহিত্যজগতের মহাপুরুষ রূপে আর্বিভূত হয়েছিলেন। তাঁর হাতেই বাংলা সাহিত্য নতুন মাত্রা পেয়েছে।
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, গ্রন্থাগার মানুষের দিব্যজ্যোতির উন্মেষ ঘটায়। রবীন্দ্রনাথের লাইব্রেরি প্রবন্ধের বিষয়বস্তু আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ গ্রন্থাগারকে দুটি ভাগে ভাগ করেছেন, একটি বড় গ্রন্থাগার এবং অপরটি ছোট গ্রন্থাগার। বড় গ্রন্থাগারে হাজার হাজার বই থাকে কিন্তু সব বই সবাই পড়ে না। যখন প্রয়োজন হয় তখন মানুষ সেই বইয়ের কাছে ছুঁটে যায়। রবীন্দ্রনাথের গ্রন্থ ও গ্রন্থাগার ভাবনায় আধুনিক মাত্রা ছিল, যা আমাদেরকে আজো অনুপ্রাণিত করে।

সম্পাদক ও প্রকাশক : রত্নদীপ দাস (রাজু)
মোবাইল : +৮৮০১৭৩৭-৯১২৪৯৬
ইমেইল : pathagarbarta@gmail.com
info@pathagarbarta.com
Copyright © 2026 পাঠাগার বার্তা. All rights reserved.