1. admin@pathagarbarta.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি একাত্তরে বাংলাদেশে গণহত্যার ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য বিশ্বের বিশিষ্টজনদের আহবান দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরন যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নেটওয়ার্ক নিয়ারস্ নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত অনুবাদক অধ্যক্ষ মোঃ কোরেশ খান এবং গবেষক ও ড.রণজিত সিংহের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন বেলালকে স্মরণ ও স্মারক প্রকাশনা অনুষ্ঠিত সিলেটের মেয়রের কাছে আলতাব আলী ফাউন্ডেশনের স্মারকলিপি প্রদান মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার- দেবেশ চন্দ্র সান্যাল বৃটেনের কার্ডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্দ্যোগে ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত অনলাইন সাহিত্য গ্রোপের ঈদ পুনর্মিলনী

পৃথিবীর ইতিহাসে সকল বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতাকে হার মানিয়েছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

পাঠাগার বার্তা
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৬৬ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে সকল বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতাকে হার মানিয়েছিল ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীনতার জন্য এত রক্ত পৃথিবীতে এর আগে কেউ দেয়নি। দেশের আনাচে কানাচে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। বাবার সামনে ছেলেকে, ছেলের সামনে বাবাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। রক্তের হোলি খেলা চলেছে। দুই লক্ষ মা-বোনের সম্মানহানি করা হয়েছে। এত রক্ত, এত নির্যাতন আর কোনো কালে হবে কিনা সন্দেহ। আর এর সবই বৃথা যেত যদি দেশ স্বাধীন না হতো। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর নেতৃত্বে বাঙালি জাতির হাজার বছরের এ কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সহযোগিতায় গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের (১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ প্রকল্প) উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ গণহত্যা স্মরণ ও মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১: বহুমাত্রিকতার খোঁজে’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, কেউ কেউ মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহিদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক করেন, প্রশ্ন তোলেন। আমি মনে করি, শহিদের সংখ্যা নিয়ে এ সংখ্যাতাত্ত্বিক বিতর্ক তাঁদের প্রতি অবমাননার শামিল। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক পরিচালিত জরিপে ইতোমধ্যে চিহ্নিত বধ্যভূমির সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। এ জরিপ সম্পন্ন হলে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ ছাড়াবে।

১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্টের সভাপতি মুনতাসীর মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. সজল নাগ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্টের সদস্য এবং জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট কবি তারিক সুজাত। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মেলনে ভারত থেকে আগত অতিথি কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সদস্য, বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও লেখকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

error: Content is protected !!