1. admin@pathagarbarta.com : admin :
শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোটা সংস্কারের আন্দোলন ঘিরে গৃহযুদ্ধ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে- ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্মূল কমিটির যৌথ সভা কোটা আন্দোলনকারীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী স্লোগানের নিন্দা জানিয়েছে জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকে সমাজকর্মী আনসার আহমেদ উল্লাহকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সংবর্ধনা আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি একাত্তরে বাংলাদেশে গণহত্যার ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য বিশ্বের বিশিষ্টজনদের আহবান দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরন যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নেটওয়ার্ক নিয়ারস্ নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত অনুবাদক অধ্যক্ষ মোঃ কোরেশ খান এবং গবেষক ও ড.রণজিত সিংহের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন বেলালকে স্মরণ ও স্মারক প্রকাশনা অনুষ্ঠিত সিলেটের মেয়রের কাছে আলতাব আলী ফাউন্ডেশনের স্মারকলিপি প্রদান

বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ রচনা করেছেন তাঁর মহামূল্য সাহিত্যকর্ম- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

পাঠাগার বার্তা
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৮ মে, ২০২২
  • ১৭০ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ মূলত আমাদের পূর্ববঙ্গের। কারণ পূর্ববঙ্গ তথা বাংলাদেশে অবস্থান তাঁকে পরিপূর্ণ রবীন্দ্রনাথ করেছে, মাটি ও মানুষের সঙ্গে নিবিড় আত্মীয়তার বন্ধনে বেঁধেছে। এদেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে কবির স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন স্থাপনা। জমিদারি পরিচালনা করতে এসে এসব জায়গায় থেকেছেন কবি, রচনা করেছেন তাঁর মহামূল্য সাহিত্যকর্ম। তার মধ্যে শিলাইদহ কুঠিবাড়ি অন্যতম। ১৮৯১ থেকে ১৯০১ সালের মধ্যে অল্প বিরতিতে কবি নিয়মিত কুঠিবাড়িতে অবস্থান করেছেন। এ বাড়িতে বসেই কবি রচনা করেছেন তাঁর অমর সৃষ্টি সোনারতরী, চিত্রা, চৈতালী, কথা ও কাহিনী, ক্ষণিকা, নৈবদ্য ও খেয়া কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতাসহ অনেক উল্লেখযোগ্য রচনা। কবিগুরুর নোবেল জয়ের হাতিয়ার ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদও শুরু করেন এখানেই।

প্রতিমন্ত্রী আজ বিকালে রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। প্রধান অতিথি বলেন, প্রতিবছর রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী নতুনের বার্তা নিয়ে আসে যা কালের আবর্তে কখনো মলিন হয় না। প্রাণে নিয়ে আসে উচ্ছ্বাস, উদ্দীপনা ও উচ্ছলতা। স্পিকার বলেন, রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের সৌন্দর্য মুগ্ধ হয়েছেন, রচনা করেছেন- “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি”- যেটিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জাতীয় সংগীত হিসাবে নির্বাচন করেছেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বাঙালির আবেগ-অনুভূতি, সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ, আনন্দ-বেদনা প্রভৃতি স্থান খুঁজে পায় রবীন্দ্র লেখনীতে। তিনি বলেন, “সত্য ও সুন্দর সবসময় বিরাজ করে”- রবীন্দ্রনাথ এটি ধারণ করতেন। স্পিকার বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে যে সংকট, অশান্তি, যুদ্ধাবস্থা, সমাজের সকল অনাচার-অবিচার দূরীকরণ এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে আমাদের কবির কাছ থেকে অনেক কিছু জানার ও শেখার রয়েছে। তিনি এসময় কবির লেখনী থেকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত হয়ে নতুন প্রজন্মকে দেশ গড়ায় আত্মনিয়োগের আহবান জানান।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ও বাঙালির শৈল্পিক অহংকার। প্রতিভা ও শ্রমের যুগলবন্দি সম্মিলনে তিনি কবিতা-গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ-নিবন্ধ-নাটক-শিশুসাহিত্য-জীবনী-শিক্ষাভাবনা ইত্যাদি সকল শাখায় সাফল্যের স্বর্ণশিখরে আরোহণ করেছেন, বাংলা সাহিত্যকে করেছেন ঐশ্বর্যমণ্ডিত। সংগীত ও চিত্রকলায়ও তাঁর অবদান অনন্যসাধারণ। নোবেল পুরস্কার এনে দিয়ে বাংলা ভাষাকে, বাংলা সাহিত্যকে, বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসনে বসিয়েছেন।

কে এম খালিদ বলেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘সভ্যতার সংকট’ প্রবন্ধে জাতির সংকট মোচনে এক মহামানবের আগমন প্রত্যাশা করেছিলেন। বাঙালি তথা উপমহাদেশের ক্রান্তিলগ্নে সেই মহামানবের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর রচনায় একদিকে যেমন কায়েমি স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, ক্ষমতার মদমত্ততার বিরুদ্ধে স্বর শাণিত করেছেন অন্যদিকে তেমনি সভ্যতার সুষমায় নারীশক্তির শুভ উদ্বোধন কামনা করেছেন, পাষাণ রাজতন্ত্রের বিপরীতে চিরায়ত হৃদয়তন্ত্রের গান গেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ। স্বাগত বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আবুল মনসুর। স্মারক বক্তৃতা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর সনৎ কুমার সাহা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।

পরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

error: Content is protected !!