1. admin@pathagarbarta.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি একাত্তরে বাংলাদেশে গণহত্যার ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য বিশ্বের বিশিষ্টজনদের আহবান দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরন যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নেটওয়ার্ক নিয়ারস্ নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত অনুবাদক অধ্যক্ষ মোঃ কোরেশ খান এবং গবেষক ও ড.রণজিত সিংহের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন বেলালকে স্মরণ ও স্মারক প্রকাশনা অনুষ্ঠিত সিলেটের মেয়রের কাছে আলতাব আলী ফাউন্ডেশনের স্মারকলিপি প্রদান মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার- দেবেশ চন্দ্র সান্যাল বৃটেনের কার্ডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্দ্যোগে ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত অনলাইন সাহিত্য গ্রোপের ঈদ পুনর্মিলনী

বানিয়াচংয়ের রূপে বিভোর

পাঠাগার বার্তা
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১৭০ বার পঠিত

বানিয়াচংয়ের রূপে বিভোর
লিয়াকত হোসেন খোকন

ষড়ঋতুর এই বাংলাদেশে ‘শরৎ’ এলেই বেড়ানোর জন্য মনটা উতলা হয়। বারবার মনে পড়ে :
আজিকে তোমার মধুর মুরতি
হেরিনু শারদ প্রভাতে
হে মাতঃবঙ্গ! শ্যামল অঙ্গ
ঝরিছে অমল শোভাতে
পারে না বহিতে নদী জলভার
মাঠে মাঠে ধান ধরে নাক…
ডাকিছে দোয়েল, গাহিছে কোয়েল
তোমার কানন শোভাতে
মাঝখানে তুমি দাঁড়ায়ে জননী
শরৎকালের প্রভাতে।’
তাই এবারের শরৎকালে ছুটলাম দূরে বানিয়াচংয়ের দিকে। প্রথমে বাস ধরে এলাম হবিগঞ্জ।
মনে হলো, বার দুয়েক গিয়েছি –
তাও তো বানিয়াচং অজানা দেশ।
আগের রাতে ঘুম হয়নি।
এখানে এসে দেখি লোকজন নৌকায় বসে আছে। আমাকে দেখে মাঝি ভাই বললেন,
বানিয়াচং যাবেন তো উঠুন।
নৌকায় গিয়ে বসলাম।
মিনিট পনেরো পর নৌকা ছেড়ে দিলেন মাঝি ভাই। ইঞ্জিনের বাঁটটা ধরে নদীর দিকে তাকিয়ে
আছেন তিনি।
বিশাল নৌকাতে আমরা মোট পনেরোজন উঠলাম। নৌকাতে বসে পরিচিত হলাম
কলেজ পড়ুয়া এক ছাত্রের সঙ্গে।
পরিচয় জানতে চাইলে ছেলেটি বলল, নাম আমার রতন। বানিয়াচঙে থাকি, বাবা কৃষক।
বানিয়াচং কলেজে এবার ইন্টারমিডিয়েট ফাস্ট ইয়ারে আছি।
একটু হেসে —
শরৎ দেখব বলে বানিয়াচং যাচ্ছি।
হাতটা স্পর্শ করে রতন বলল, শরতের যত রূপ, তা মিলবে বানিয়াচঙে। ওখানে গিয়ে আপনারও বলতে ইচ্ছে হবে –
আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ, আমরা গেঁথেছি শেফালিমালা
নবীন ধানের মঞ্জরি দিয়ে সাজিয়ে এনেছি ডালা।’

একটু পর রতন বলল, বানিয়াচংয়ে গিয়ে না হয় আমার সঙ্গেই বেড়াবেন।

বললাম, রতন, তা কবিতা-টবিতা
লেখো নাকি। হাসল সে।
বড্ড ভালো লাগে গান। ওই যে আব্বাসউদ্দীনের গান। ‘আমি ভাবি যারে পাই নাগো তারে সে যেন আজ কতই দূরে’ –
এই গানটা গাও না। এ কথা শুনে মাঝি বলল , মুড নাই; অন্য একটা গান শুনাই।
মাঝি এবার গান ধরল —
‘দীক্ষা শিক্ষা না হইতে আগে করছ বিয়া
তুমি বিনে খতে গোলাম হইলে
গাইডের টাকা দিয়ারে… মাঝি বাইয়া যাওরে… বিদাশে-বিপাকে যারও ব্যাটা মারা যায়
পাড়া পড়শি না জানিতে
জানে তারও মায় ওরে…’।
গানটা শেষ করে মাঝি ভাই বললেন, ছোটোবেলায় প্রায় ৬০ বছর আগে হবিগঞ্জ শহরে গিয়ে ‘জোয়ার এলো’ নামে একটা ছবি দেখেছিলাম।
ওই ছবির একটা গান শুনুন, গানটা গেয়েছিলেন আবদুল আলিম। গানটা কিন্তু উর্দু…।
গান শুরু করলেন ঃ
তেরে ইস নদীয়ানে মুঝকো
কেয়া কেয়া রঙ্গ দেখায়ে।
কিতনে রঙ্গ রঙ্গিলে মাঝি
গুজরে পাল উড়ায়ে…।’
হঠাৎ দেখি তীরে কাশবন। কাশবনের পানে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। রতন বলল, দেখুন দেখুন অজস্র কাশফুল।
আরেকজন যাত্রী বললেন,
শরতের শেষেই দুর্গাপূজা।
খুব জমজমাটভাবে উদ্যাপন হয় দুর্গাপূজা। ঢোল বাজে, বাদ্য বাজে…
কতই-না আনন্দ জমে ওঠে তখন।
এ কথা শুনে রতন বলল, আমাদের ওখানকার মন্দিরে এক ‘কৃষ্ণ’ আছে; ওর সঙ্গে আপনার পরিচয় করিয়ে দেবো। ভালো কীর্তন গায়। ওর কণ্ঠে গান শুনে ওর গলায় না হয় শেফালি ফুলের মালা পরিয়ে দেবেন…। একটু হেসে বললাম –
এই শরতে কোনো এক রাধার সঙ্গে
কি পরিচয় করাবে না ?
রতন বলল, ‘ কেন নয়! তবে যে রাধা থাকে বৃন্দাবনে। না হয় বৃন্দাবনে নিয়ে যাব!’
দেখি নদীর এক কূলে কাশবন,
দূরে, বহুদূরে দেখা যায় পাহাড়।
দেখে মনে হলো এ যে কালো মেঘ।
রতন বলল, ওই পাহাড় পড়েছে ভারতের আসাম-মেঘালয় রাজ্যে। দেখুন আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। কি ই না অপরূপ শরৎকাল!

এক সময় নৌকা এসে ভিড়ল এক গাঁয়ের ঘাটে।
ওখান থেকে দুজন যাত্রী উঠলেন। নৌকা ছেড়ে দিয়ে মাঝি গান ধরল :
হারালো যে মধু লগন
কাঁদে আমার মন
হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির মায়ায় ঝরে ফুলদল
অজানা কোন বাঁশির সুরে
কাঁদে বনতলঝিকিমিকি তারায় তারায়
জাগে বাসনা…।’

অনেক প্রতীক্ষার পর এলাম বানিয়াচঙে। ওখানে নেমে পায়ে হেঁটে চললাম রতন বলল, যাবেন কোথায়? উঠবেন কোথায় ?
বললাম, জাফর নামে একজন ঘনিষ্ঠ ছোটো ভাই আছে, ওর ওখানে। রতন সে কি রাজনীতি করে? ইসলাম মিয়ার ছেলে? হ্যাঁ বলতেই রতন –
সে তো আমার চাচাতো ভাই। চলুন চলুন, বাড়িতে চলুন…।
রিকশায় উঠে ছোটো শহর বানিয়াং দেখে দেখে এলাম জাফরদের বাড়ির দরজায়। এর আগেও দুবার এসেছিলাম,
তখন তো ওর বাবা বেঁচে ছিলেন। আজ তিনি নেই…। ইস পৃথিবীটা কী ক্ষণিকের! রিকশা থেকে নেমে আঁকাবাঁকা পথ পেরিয়ে এলাম জাফরদের বাড়ির দরজায়। ‘ও’ আমাকে দেখে তো অবাক। থাকার ব্যবস্থা করল বৈঠকখানায়। জাফর বলল, রতন, তুই ওই বিছানায় থাকবি, উনি ওটাতে থাকবেন।

দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে খানিক বিশ্রাম নিলাম। সূর্য পশ্চিমে হেলিয়ে পড়তেই রতন বলল, চলুন শরৎ দেখবেন।
বিথঙ্গল আখড়ার দিকে যাবেন।

একটু এগিয়ে দেখি চারদিকে পানি। এদিকে বিলাঞ্চল, ওদিকেও বিলাঞ্চল।
রতন বলল, ওই যে বটগাছটা দেখছেন ওখানে গিয়ে বসি। দিনের বেলা প্রেমিক-প্রেমিকারা ওখানে বসে কত-যে প্রেমের কথা বলে। স্বপ্ন দেখে ঘর বাঁধার। বললাম, এই রতন তুমি প্রেম-ট্রেম করো না?
আরে দাদা কী যে বলেন,
বয়স সবেমাত্র সতেরো চলছে। এ বয়সে কেউ কি আর প্রেম করে ? তবে আমাদের বানিয়াচঙে বাল্যবিবাহ অহরহ ঘটছে।’

দূরে কত নাম-না-জানা গাছ।
আরও দূরে ছোট্ট এক কুটির। আরেকদিকে দেখি কাশবন।
রতন বলল, ‘চলুন ঐ যে কাশবনে কাশফুল ফুটেছে। স্পর্শ করুন।’ ‘কেন?’ রতন -কেন নয় ! শরতের প্রতিচ্ছবিই তো ‘কাশবন’ আর সাদা মেঘের ভেলা। সাদা মেঘের ভেলা সে তো আকাশে, তাতো স্পর্শ করা যায় না ! তবে কাশফুল যত পারেন স্পর্শ করুন। বারে বারে কাশফুল স্পর্শ করে রাস্তায় এসে দাঁড়ালাম।
এবার রতন বলল, ওই যে কুটির দেখছেন ওখানে চলুন। কিছু সময় পার করি। একটি সুপারিগাছের সাঁকো পেরিয়ে এলাম এক কুটিরে। রতনকে ওখানকার সবাই চেনে। আমাদের দেখে ওই বাড়ির গৃহিণী বলল, পায়েস খাবেন বসুন। পিঁড়িতে বসলাম দুজনে। একটু পরে এলো পায়েস। গৃহিণী বললেন, রতন তোর বন্ধু কৃষ্ণ একটু পরেই আসবে…। কথাটা শেষ না হতেই দেখি সতেরো বছর বয়সি এক ছেলে এসে উপস্থিত। রতন বলল, উনি আমার দাদা। কৃষ্ণ, দাদা কিন্তু শরতের রূপ দেখবে বলে বানিয়াচঙে এসেছে। একটু খুশি করো না…।
কৃষ্ণ আমার খুব কাছে এসে বুকে জড়িয়ে ধরল। একটু পরে চললাম কৃষ্ণর সঙ্গে ।
দেখি, দূরে দূরে কারা যেন আলো জ্বেলে আছে। ওদিকে আকাশে মেঘের গর্জন শুনতে পাচ্ছি। মেঘে ঢেকে আছে চাঁদটা…। তাই চারদিক অন্ধকার মনে হলো। ঘোর অন্ধকারে আমরা পথ চলছি। ওরা দুজনে বলল, দ্রুত চলুন। বৃষ্টি আসবে ধেয়ে। বললাম, শরতের রাত দেখে দেখে আঁখি না ফেরে।
ওদিকে কৃষ্ণ বেশ উচ্চৈঃস্বরে গান ধরল :
আয় বৃষ্টি ঝেপে ধান দেবো মেপে
আয় রিমঝিম বরষায় গগনে
ফুল ফলে ভরিতে চায় সোনার কামনা
এ জীবন মাটির মতন…।’
অবশেষে গানের ভাষায় কৃষ্ণ শুনিয়ে গেল :
বরষামুখর রাতে ফাগুন সমীরণে
এইটুকু মোর শুধু রইল অভিমান
ভুলতে সে কি পারো, ভুলিয়েছ মোর প্রাণ…।’

বানিয়াচং সম্পর্কে তথ্য :
নৈসর্গিক আর ঐতিহ্যের লালনভূমি। বর্ষায় হাওড়ে থইথই জলরাশির উজ্জ্বলতর থাকে, তখন নৌকাবাইচ চলে। দর্শনীয় স্থান ঃ
বিথঙ্গল আখড়া, রাজবাড়ি, শ্যাম বাউল গোস্বামীর আখড়া (ঘাত্রাপাশায়), মাকালকান্দি স্মৃতিসৌধ, লক্ষ্মীবাজার জলাবন, রামানাথ বিশ্বাসের ভিটা,
বিথঙ্গল আখড়া কইলারকান্দি ইউনিয়নে।
হবিগঞ্জের কালারডুপ থেকে এখানে নৌকায় যাওয়া যায়। রাতযাপন করার জন্য বানিয়াচংয়ে আছে — জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, শিমলা রেস্ট হাউজ।

হাওড় বেষ্টিত উপজেলা বানিয়াচং প্রাচীন জনপদ। এক সময়ে এই বানিয়াচঙে রাজধানী ছিল বলেও কিংবদন্তি আছে। বানিয়াচং জায়গাটি বহু ঐতিহাসিক নিদর্শনের প্রমাণ বহন করে। রাজারা এখানে গড়ের খাল নামে প্রতিরক্ষা পরিখা হিসেবে একটি খাল তৈরি করেছিলেন।
এটি বানিয়াচঙের চারদিকে ঘিরে রয়েছে। বানিয়াচং উপজেলাটি হবিগঞ্জ জেলায়। বানিয়াচংকে আবার বলা হয় গ্রাম।
পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রামই নাকি এই বানিয়াচং।
লাউড় রাজ্যের রাজধানীও বলা হয় বানিয়াচংকে। দেখলে মনে হয়, এতো গ্রাম নয়। গোটা বানিয়াচঙে ছড়িয়ে রয়েছে ১২০টি পাড়া বা মহল্লা।
এর সর্বত্রই গাছগাছালিতে ভরপুর। গাছে গাছে পাখি। পাখির ডাকেমুগ্ধ হয়ে পড়েন। যে-কোনো প্রকৃতিপ্রেমিক। বানিয়াচঙে রাজা হাবিব খাঁ কর্তৃক নির্মিত রাজবাড়িটি চোখে পড়ার মতো। এটি সংরক্ষণের অভাবে আজ দৈন্যদশায় পরিণত হয়েছে। তবে এর ধ্বংসাবশেষ ভবনগুলো প্রমাণ করে এখানে এক সময় ছিল বিশাল রাজবাড়ি। নবাব উল্লাহর ধ্বংসাবশেষ বাড়ি দেখতে গিয়ে কেউবা পুরোনো স্মৃতি খোঁজেন। রাজবাড়ি আরও নবাববাড়ির সেই জৌলুস এখন আর নেই। একদা কতই-না জমজমাট অবস্থা ছিল। বাড়ির সামনে চারদিকে ছিল কত-না বাহির ফুলগাছ। রাজবাড়িতে এক সময় কামানও ছিল যা কি না এখন সিলেট পুলিশ লাইনে রক্ষিত রয়েছে।

বানিয়াচঙের সাগর দিঘির আয়তন প্রায় ২ কিলোমিটার। সাগর দিঘিটি নিয়ে কিংবদন্তি আছে, বানিয়াচঙের রাজা বিয়ে করে প্রাসাদে এনেছিলেন তরফ অঞ্চলের রাজকুমারী কমলাবতীকে। রানির ঘরে এক পুত্রসন্তান জন্ম নেওয়ার পরপরই একদিন রাজা স্বপ্নে দেখেন, তাকে একটা দিঘি খনন করতে হবে। পরে রাজা আদেশ দিলেন একটি বড়ো দিঘি খননের। দিঘি খননের পর দেখা গেল দিঘিতে পানি উঠছে না। এ অবস্থা দেখে রাজা দুশ্চিন্তায় পড়েন। কদিন পরে রাজা স্বপ্ন দেখেন –
এ দিঘিতে কমলাবতী আত্মদান করলেই কেবল তাতে পানি উঠবে। প্রজাদের কথা ভেবে রানি একদিন দিঘিতে নেমে দাঁড়ালেন। তখনই পানি নামতে শুরু করল। অল্পক্ষণের মধ্যে কমলাবতীর পুরো শরীরই পানির মধ্যে তলিয়ে গেল। এরপরে একে অনেকে কমলাবতীর দিঘি বলতে থাকেন। বানিয়াচং সদর থেকে ১১ কিলোমিটার দক্ষিণে বিষফল গ্রাম। এই গ্রামেই রয়েছে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণের আখড়া। এর সৌন্দর্য, শৈল্পিক সুষমা দেখার মতো।
জানা যায়, আখড়াটি পঞ্চদশ শতাব্দীতে রামকৃষ্ণ গোস্বামী প্রতিষ্ঠা করান। এটি নির্মাণ করা হয়েছিল পোড়ামাটির ইট দিয়ে – এর দেওয়ালে রয়েছে অসংখ্য চিত্রফলক। পাশেই মঠের সামনে একটি মন্দির। একদা এখানকার ১২০টি কক্ষে এক একজন বৈষ্ণব বাস করতেন। প্রতিবছর এই আখড়ায় কয়েকবার করে উৎসব পালিত হয়। বিথঙ্গলের আখড়ায় দর্শনীয় স্থান বিভিন্ন সামগ্রী রয়েছে, এর মধ্যে
উলে­খযোগ্য হলো- ২৫ মন ওজনের শ্বেতপাথরের চৌকি, পিতলের সিংহাসন, রৌপ্যনির্মিত পাখি, কষ্টিপাথরের মূর্তি, মুকুট প্রভৃতি। ভূ-পর্যটক রামনাথ বিশ্বাস নামটি বানিয়াচংবাসীদের মুখেমুখে। তিনি পৃথিবী ভ্রমণ করেছিলেন সাইকেল নিয়ে।

লেখক : প্রাবন্ধিক; রূপনগর, ঢাকা, বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

error: Content is protected !!