1. admin@pathagarbarta.com : admin :
শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোটা সংস্কারের আন্দোলন ঘিরে গৃহযুদ্ধ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে- ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্মূল কমিটির যৌথ সভা কোটা আন্দোলনকারীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী স্লোগানের নিন্দা জানিয়েছে জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকে সমাজকর্মী আনসার আহমেদ উল্লাহকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সংবর্ধনা আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি একাত্তরে বাংলাদেশে গণহত্যার ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য বিশ্বের বিশিষ্টজনদের আহবান দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরন যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নেটওয়ার্ক নিয়ারস্ নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত অনুবাদক অধ্যক্ষ মোঃ কোরেশ খান এবং গবেষক ও ড.রণজিত সিংহের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন বেলালকে স্মরণ ও স্মারক প্রকাশনা অনুষ্ঠিত সিলেটের মেয়রের কাছে আলতাব আলী ফাউন্ডেশনের স্মারকলিপি প্রদান

মাস্ক পরুন, করোনা দূর হবে

পাঠাগার বার্তা
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১১৫ বার পঠিত

মাস্ক পরুন, করোনা দূর হবে
লিয়াকত হোসেন খোকন

করোনার তৃতীয় ঢেউ উপছে পড়েছে আমাদের বাংলাদেশেও করোনা রক্তচক্ষু দেখাচ্ছে। প্রতিনিয়ত করোনা তার গতি -প্রকৃতি পরিবর্তন করছে। কখনও ডেল্টা তো কখনও বা আবার ওমিক্রন, নব নব রূপে করোনা বিকশিত হচ্ছে – তা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিচ্ছে। যার জেরে কেউওই যেন তাকে বন্দী করতে পারছে না। বিগত ক’দিনের হিসেব দেখলে বোঝা যাবে চড়চড় করে বেড়েছে করোনা গ্রাফ আর পাল্লা দিয়ে, মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

তাহলে উপায় কী? অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মতে প্রতিনিয়ত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, হাত সাবান দিয়ে ধোওয়া আর মুখে মাস্ক টুকু অন্তত পরা। কিন্তু রাস্তা ঘাটে সেই সচেতনতার ছবি ফুটে উঠছে কই? প্রতিনিয়ত জনসাধারণ আক্রান্ত হচ্ছে, আবার মারাও পড়ছে। ওদিকে ভ্যাকসিনও চলছে, কিন্তু প্রশ্ন একটাই – সচেতনতা কোথায়। কেন ফিরছে না হুঁশ?

কেন বারে বারে বলতে হচ্ছে মাস্ক পরুন ও পরান। মানুষ কীভাবে এত সহজে ভুলে গেল পৃথিবীর বুকে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু – পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে নদীতে লাশ ভেসে যাওয়ার চিত্র, মড়ক লাগার সেই ভয়াবহতা। আরও কতকিছু বিভীষিকাময় দৃশ্য সেইসব। মনে কি পড়ছে নিকটজন মারা যাওয়ার পরে লাশ দেখতে না যাওয়া, দাফন করতে না যাওয়া। দেখতে গেলে যদি হয় করোনা – এই ভয়ে।

বাজারগুলোর ভিড় দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়, গা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়ানো থেকে যত্রতত্র থুতু ফেলা সবই যেন রোজকার রুটিনে দাঁড়িয়েছে। আবার শুধুই কি ঈদ উৎসবে, পয়লা জানুয়ারি আর কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়?

এদেশে গণতন্ত্রের মোচ্ছব বলেও একটা কথা আছে,
যেটা বিভীষিকাময় রূপে মানুষের জীবনে আসে আর গাদা গাদা ভয়াবহতা ডেকে আনে। নির্বাচনের সময় মানুষ তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে ঠিকই কিন্তু করোনাকালে বাড়তি সতর্কতাটা নিতে ভুলে যায়। নারায়ণগঞ্জের বা অন্যকোন স্থানের ভোটে ভিড়ের ময়দানে হারিয়ে গিয়ে আখেরে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে আনে। করোনাবিধি কার্যত না মেনে ভোট দিতে যাওয়ার জনজীবনে দুর্ভোগ নামে। এই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলির যেমন সচেতন হওয়া তেমনই সাধারণ মানুষেরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ, রাজনৈতিক আধিপত্য কায়েম রাখা সব তখনই হবে যখন মানুষের প্রাণটা থাকবে। ভাববার সময় যদি এখনও না আসে তাহলে আর কবে আসবে ভাবার সময়। করোনার চোখ রাঙানির ভয়ে নয়, ভালোবেসে মাস্ক হয়ে উঠুক মানবজীবনের অঙ্গ, কারণ করোনাকে হারাতে একমাত্র বিকল্প পথ জনসচেতনতা। সাধারণ মানুষ নিজে থেকে যদি মাস্ক পরে, পরিস্কার -পরিচ্ছন্ন থাকে তাহলে যেমন নিজে ভালোভাবে বাঁচতে পারবে তেমনই অন্যকেও বাঁচাতে পারবে। করোনা -ওমিক্রনকে ভয় নয়, সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন তাহলেই আগামী পৃথিবী অবশ্যই সোনালী রোদ্দুর মতো চিকচিক করে হাসবে।

লেখক : প্রাবন্ধিক ; রূপনগর, ঢাকা, বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

error: Content is protected !!