1. admin@pathagarbarta.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি একাত্তরে বাংলাদেশে গণহত্যার ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য বিশ্বের বিশিষ্টজনদের আহবান দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরন যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নেটওয়ার্ক নিয়ারস্ নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত অনুবাদক অধ্যক্ষ মোঃ কোরেশ খান এবং গবেষক ও ড.রণজিত সিংহের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন বেলালকে স্মরণ ও স্মারক প্রকাশনা অনুষ্ঠিত সিলেটের মেয়রের কাছে আলতাব আলী ফাউন্ডেশনের স্মারকলিপি প্রদান মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার- দেবেশ চন্দ্র সান্যাল বৃটেনের কার্ডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্দ্যোগে ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত অনলাইন সাহিত্য গ্রোপের ঈদ পুনর্মিলনী

মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ কেমন তামাশা?

পাঠাগার বার্তা
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০২৩
  • ২০১ বার পঠিত

মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ কেমন তামাশা?
আবীর আহাদ

স্বাধীনতার বয়স ৫০ বছরের ঊর্ধে। ২০০০ মুক্তিযোদ্ধার বয়সও নাকি ৫০ বছর! অনেক আগেই ঝিনাইদহ জেলা থেকে একদাগে ২৪ রাজাকারের মুক্তিযোদ্ধা বনে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বেশকিছু ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা এমপি, মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীর নামও মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় স্থান পেয়েছে। এছাড়া গোটা মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ৮০/৮৫ হাজার অমুক্তিযোদ্ধা, এমনকি রাজাকাররাও রয়েছে ! এসব অসংগতি দেখে শুনে বুঝে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় তথা সরকারের মতো মহা-সাংবিধানিক সংস্থা কেমন করে চুপটি মেরে বসে থাকে তা ভাবতেই গা শিউরে ওঠে! মুক্তিযুদ্ধের পবিত্রতা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও সরকারের ভাবমূর্তির স্বার্থে কেনো এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের উচ্ছেদ করার কোনোই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না, তাও আমাদের বোধগম্য নয়! আমাদের মনে হয়, এ প্রক্রিয়ার মধ্যে অর্থ, আত্মীয়তা ও হীনরাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে! এ যেনো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে চলছে এক নির্মম তামাশা! চলছে বিশাল লাভজনক ব্যবসা!

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তাক্ত জীবনপণ শৌর্য ত্যাগ রক্ত ও বীরত্বপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের আলোবাতাসে শ্বাস নিয়ে, জীবনে যিনি যা কল্পনা করেননি তিনি তাই হয়েও যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা বিকৃত করেন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অমুক্তিযোদ্ধা রেখে তাদের মর্যাদা ভুলুন্ঠিত করেন, সব জেনেও যারা চুপটি মেরে আছেন তারা আর যা-ই হোক, তারা মানুষ নামের কলঙ্ক! এরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী অমানুষ!

মুক্তিযুদ্ধের পবিত্রতার স্বার্থে অনতিবিলম্বে বঙ্গবন্ধুর ‘৭২ সালের মুক্তিযোদ্ধা সংজ্ঞার আলোকে উচ্চতর বিচার বিভাগ, সামরিক বাহিনী ও যুদ্ধকালীন সুপরিচিত কমাণ্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমিশন’ গঠন করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা তৈরি করা ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর নেই। এ প্রক্রিয়ায় যারা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলে প্রমাণিত হবে এবং যারা তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমতুল্য অপরাধে কঠিন শাস্তির বিধান রাখতে হবে। আমরা প্রত্যাশা করি সরকার এ পদক্ষেপ গ্রহণ করে তার সদিচ্ছার প্রমাণ দিয়ে দেশে স্বচ্ছতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবেন। এটা সব প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন দেশবাসীর প্রাণের দাবি। আশা করি আওয়ামী লীগ সরকার তারই ঐতিহাসিক নেতৃত্বে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পবিত্রতার স্বার্থে উপরোক্ত সুপারিশের আলোকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকাটি প্রণয়ন করে যাবেন।

লেখক : চেয়ারম্যান, একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

error: Content is protected !!